- শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪

| জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩১ -

Tokyo Bangla News || টোকিও বাংলা নিউজ

বৃষ্টিতেও কমছে না গরম

মহি ইউ খান মামুন:

প্রকাশিত: ১৭:৫৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

বৃষ্টিতেও কমছে না গরম

কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা বেড়েই চলছে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মধ্যে মোংলায় ৪০.৩, যশোর ও ঈশ্বরদীতে ৩৯.৮, খুলনায় ৩৯.৫, রাজশাহীতে ৩৯.৩, ফরিদপুর ও কুমারখালীতে ৩৯.২, রাঙ্গামাটিতে ৩৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অসহনীয় গরমে হাঁসফাঁস নগরজীবন। এরমধ্যে গতকাল বিকেলের দিকে বৃষ্টিও হয় রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি এলাকায়। কিন্তু এতে কমেনি গরম। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজও বৃষ্টি হতে পারে কয়েকটি এলাকায় তবে দুটি জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অধিকাংশ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

সংস্থাটি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ফেনীতে ২৪ মিলিমিটার। এ ছাড়া ফরিদপুরে ২৩, চাঁদপুরে ২০, ঢাকায় ১২, নিকলিতে ৭, সিলেটে ৬, বরিশালে ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১৭ এপ্রিল) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাট জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশার, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা যদি ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে। ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয় যখন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। আর অতি তীব্র হয় ৪২ ডিগ্রি বা এর বেশি হলে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এম কে এম