ছবি:ইন্টারনেট
মহাসাগর এবং দ্বীপকুঞ্জের সমষ্টির একটি দেশ জাপান। এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির। এখানে যেমন রয়েছে পাহাড় তেমনই রয়েছে বনাঞ্চল। জাপান মূলত এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম টোকিও। এছাড়া জাপানকে বলা হয় সূর্যোদয়ের দেশ। জাপানিদের দৃষ্টিকোণ থেকে সূর্য জাপান থেকে উঠে। এদের নিজস্ব ভাষার নাম নিহঙ্গ। এসের পোশাকের নাম কোনো বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় না। এদের মুদ্রার নাম ইয়েন। জাপানিদের পোশাক এবং সংস্কৃতিতে আছে নানা বৈচিত্র্য। জাপানিরা তাদের ফ্যাশনকে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছে তাদের ঐতিহ্যর মাধ্যমে। তাদের ফ্যাশন বা পোশাক শুধু তাদের ঐতিহ্য না এটি তাদের দেশের এবং সংস্কৃতির প্রতীক। জাপানিরা তাদের পোশাকের ক্ষেত্রে চলমান ফ্যাশনকে অনুসরণ করে। ওয়েস্টার্ন যেমন জিন্স, টপ, স্কার্ট এবং শার্ট। শর্ট শার্ট তাদের পছন্দের তালিকায়। জাপানিদের পোশাকের ক্ষেত্রে বেশি চোখে পড়ে লম্বা কোট এবং স্কার্ট সাথে শার্ট। ছেলেদের বেলায় ক্যাজুয়াল লুক তাদের ক্ষেত্রে সর্বস্তরে প্রযোজ্য। অফিসে কিংবা মিটিংয়ে যেকোনো জায়গাতেই তাদের পোশাকের ক্ষেত্রে খুব বেশি তারতম্য চোখে পড়ে না। তবে বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে তারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরতেই বেশি ভালোবাসে।

কিমোনো
এটি ১৯ শতকের মাঝামাঝি থেকে জাপানের জাতীয় পোষাক হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে, নারীরা কিমোনো পরতেন।এটি ছিল একটি মিখো এবং গাইশা ইউনিফর্ম। কিমোনো কোমর থেকে কোমর দ্বারা আবদ্ধ হয়, কিমোনোর দৈর্ঘ্য পরিবর্তনশীল। কিমোনো পরতে খুব আরামদায়ক।কিমোনো শুধুমাত্র কাঁধ এবং কোমর উপর জোর দেয়, যা জাপানি মানুষের সৌন্দর্য। পুরুষ এবং নারীর পোশাকে পার্থক্যটি ডিজাইনের আকারের।নারীদের কিমোনো বারোটি পৃথক অংশ দ্বারা গঠিত, এবং পুরুষ কিমোনো মাত্র পাঁচটি।
আর সি
