- শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪

| জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩১ -

Tokyo Bangla News || টোকিও বাংলা নিউজ

আবারও আইএমএফ প্রধান হলেন ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

আবারও আইএমএফ প্রধান হলেন ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান হিসেবে আবারও নির্বাচিত হলেন ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। চলতি মেয়াদে প্রধান হিসেবে তার শেষ কর্মদিবস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। পরেরদিন ১ অক্টোবর থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন শুরু করবেন। 

আইএমএফের নির্বাহী বোর্ড শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বুলগেরিয়ার এই অর্থনীতিবিদকে পুনরায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত করে। 

নির্বাহী বোর্ডের সমন্বয়কারী আফনসো এস. বেভিলাকা ও আব্দুল্লাহ এফ. বিনজারাহ এক বিবৃতিতে জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। নির্বাহী বোর্ড তার মেয়াদে শক্তিশালী ও দারুণ নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা মহামারির বৈশ্বিক ধাক্কা মোকাবিলায় ৯৭টি দেশের জন্য ৩৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নতুন অর্থায়নের অনুমোদন, দরিদ্র ও দুর্বল সদস্যদের জন্য ঋণ পরিষেবা ও ত্রাণসহ বিশেষ পরিস্থিতিতে অভূতপূর্ব নেতৃত্ব দিয়েছেন জর্জিয়েভা। তার নেতৃত্বে তহবিল স্থিতিস্থাপকতা, স্থায়িত্ব সুবিধা এবং খাদ্য শক উইন্ডোসহ উদ্ভাবনী নতুন অর্থায়ন সুবিধা চালু করেছে।  

এছাড়াও তার নেতৃত্বে বেশ কিছু অর্জনের কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বোর্ড সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে জর্জিয়েভার চলমান প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানায়। বোর্ড এই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যেতে উন্মুখ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৪৪ সালে। এরপর সংস্থাটির ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব নেন জর্জিয়েভা। বর্তমানে তার বয়স ৭১ বছর। তিনি আইএমএফের দ্বিতীয় নারী প্রধান ও উদীয়মান বাজার অর্থনীতির দেশ থেকে মনোনীত হওয়া প্রথম ব্যক্তি। তিনি বর্তমানে উদীয়মান বাজার অর্থনীতির জন্য ৩০ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ঋণ ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশের জন্য সুদমুক্ত ঋণের পরিমাণ পাঁচগুণ বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করছেন। 

এর আগে ২০১৭ সাল থেকে তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ আনে বিশ্বব্যাংক। যদিও তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো বিবেচনা করার জন্য আইএমএফের পর্ষদ সভায় সাতবার আলোচনা হয়। পরে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পান তিনি।

এম কে এম